আজ ঢাকা-চট্টগ্রাম লড়াই
জান-ই-আলম
টুর্নামেন্ট জুড়ে মাঠের ক্রিকেটে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিতে পারেনি জেমকন খুলনা। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ধারাবাহিক গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে লিগ পর্বে দুবার হেরেছিল মাহমুদউল্লাহর দল। একঝাঁক অভিজ্ঞ ক্রিকেটারে ভরপুর দলটি গতকাল জ্বলে উঠেছে বিপুল বিক্রমে। জহুরুল ইসলাম অমির হাফ সেঞ্চুরির পর মাশরাফি বিন মুর্তজার ক্যারিয়ার-সেরা বোলিংই (৩৫ রানে ৫ উইকেট) খুলনার জয় নিশ্চিত করে দেয়।
গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামকে ৪৭ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের ফাইনালে উঠে গেছে খুলনা। ম্যাচ হারলেও চট্টগ্রামের সামনে সুযোগ রয়েছে ট্রফি জয়ের মঞ্চে যাওয়ার। আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বেক্সিমকো ঢাকার মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম। এই ম্যাচের জয়ী দল ১৮ ডিসেম্বর ফাইনালে খুলনার বিরুদ্ধে লড়বে।
বড় রান তাড়া করতে নেমে মাশরাফির ধাক্কায় দলীয় ২৭ রানেই সৌম্য, লিটনকে হারায় চট্টগ্রাম। পরে মাহমুদুল হাসান জয়, শামসুর, মুস্তাফিজকেও ফেরান নড়াইল এক্সপ্রেস। মিঠুন হাফ সেঞ্চুরি করলেও ১৯.৪ ওভারে ১৬৩ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। মিঠুন ৫৩, জয় ৩১, লিটন ২৪, মোসাদ্দেক ১৭, শামসুর ১৮ রান করেন। হাসান মাহমুদ, আরিফুল ২টি করে উইকেট পান।
টসে হেরে জহুরুল ইসলামের হাফ সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ২১০ রানের বিশাল স্কোর গড়েছিল খুলনা। ১৫তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫১ বলে ৮০ রানের (৫ চার, ৪ ছয়) ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। খুলনার রানটা ২০০ ছাড়িয়েছে ইমরুলের ১২ বলে ২৫, মাহমুদউল্লাহর ৯ বলে ৩০ রানের ক্যামিও এবং সাকিবের ১৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসে। ২ বলে অপরাজিত ৬ রান করেন মাশরাফি।
এর আগে এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে ৯ রানে পরাজিত করেছিল বেক্সিমকো ঢাকা। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৫০ রান তোলে মুশফিক বাহিনী। ২২ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয় ইয়াসির আলীর ৫৪, মুশফিকের ৪৩ ও আকবর আলীর ২১ রানের ইনিংস। জবাবে শেরেবাংলার স্লো উইকেটে আফিফের হাফ সেঞ্চুরির পরও ৯ উইকেটে ১৪১ রানের বেশি যেতে পারেনি বরিশাল। একপ্রান্ত আগলে আফিফ ৩৫ বলে ৫৫ রান করলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেনি কেউ। ঢাকার শফিকুল, মুক্তার আলী ৩টি করে উইকেট নেন।
ইয়াসির আলী ম্যাচ-সেরা হন।
