বরিশালের বিদায়

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:১৮

স্পোর্টস রিপোর্টার

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ দিয়ে দেশের ঘরোয়া টি-২০ টুর্নামেন্টে ফিরেছে বরিশাল বিভাগ। ২০১৭ সাল থেকে বিপিএলেও ছিল না বরিশাল। ফরচুন বরিশালের মাধ্যমে ফিরেছে এই বিভাগের প্রতিনিধিত্ব। বেশ ঘটা করেই জার্সি ও লোগো উন্মোচন করেছিল দলটি।

আনুষ্ঠানিকভাবে অনুশীলনের প্রথম দিনেই বরিশালের দল নিয়ে অসন্তোষ ও ড্রাফটের ভুল নিয়ে মন্তব্য করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সেই ধাক্কার পর দ্বিতীয় ম্যাচেই প্রথম জয় পেয়েছিল বরিশাল। কিন্তু লিগ পর্বে দলটিকে ভুগিয়েছে কৌশলের ঘাটতি। বিশেষ করে দলের ক্রিকেটারদের সামর্থ্য ব্যবহার করতে পারেনি তারা। পরিকল্পনার গলদ ডুবিয়ে দেয় তাদের।

স্বীকৃত ওপেনার সাইফ হাসান থাকতেও মিরাজকে টানা তিন ম্যাচে ওপেনিং করিয়েছিল বরিশাল। যে কৌশল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ইনফর্ম আফিফ, ইরফান শুক্কুরের সেরাটা পায়নি দলটি, তাদেরকে ব্যাটিং অর্ডারেও সঠিক জায়গা দেওয়া হয়নি। দুর্দান্ত পেস আক্রমণ থাকলেও মিরপুরের স্লো উইকেটে লেগ স্পিনার বিপ্লবকে কাজে লাগায়নি তারা। ছয়ে-সাতে হার্ড হিটার হিসেবে টানা খেলানো হয়েছে মাহিদুল অঙ্কনকে। যার ফল মিলেনি নয় ম্যাচেও। কারণ অঙ্কন দ্রুত রান তোলায় সিদ্ধহস্ত নন।

এমনকি পারভেজ হোসেন ইমন, আফিফ বলেছেন, তাদেরকে স্বাধীনভাবে জায়গা মতো খেলতে দেওয়া হয়নি। যদিও ইমনের বিস্ফোরক সেঞ্চুরিতে ২২১ রান করে রাজশাহীর বিরুদ্ধে জয় পায় বরিশাল। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফে আসে দলটি। কিন্তু এলিমিনেটরে শেষ হয়ে গেল বরিশালের বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ মিশন। তিন জয়ে প্লে-অফে আসা দলটি গতকাল ঢাকার কাছে ৯ রানে হেরে বিদায় নিয়েছে।

ঢাকার ৮ উইকেটে ১৫০ রানের জবাবে বরিশাল ৯ উইকেটে ১৪১ রানের বেশি যেতে পারেনি। একপ্রান্ত আগলে আফিফ ৩৫ বলে ৫৫ রান করেন। কিন্তু তাতে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই।

গতকাল ম্যাচ শেষে আফিফের কণ্ঠেও ধরা পড়ল টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার হতাশা।

তরুণ এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘অবশ্যই একটু খারাপ লাগতেছে আমরা টুর্নামেন্টের এরকম একটা পর্যায়ে এসে বাদ পড়তেছি। আসলে আমাদের শুরুতে একটু খারাপ (ব্যাটিং) হচ্ছিল। শেষ কয়েকটা ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা ভালো খেলেছে। আজকে হয়তো আমাদের একটু ভুল কম হলে রেজাল্টটা অন্যরকম হতে পারত।’