৩০ দিনের বেশি চাল মজুত রাখা যাবে না

আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫১

আমনের ভরা মৌসুমেও চালের দাম বাড়ায় আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে সিটি করপোরেশন ও জেলাগুলোতে খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) শুরু করবে সরকার। গতকাল সোমবার খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সারা দেশের ডিসিফুডদের এক অনলাইন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে সরু চাল নাজিরশাইল/মিনিকেট ৫৬ থেকে ৬২ টাকা, মাঝারি মানের চাল পাইজাম/লতা ৫০ থেকে ৫৫ টাকা ও মোটা চাল ইরি/স্বর্ণা ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। যা সপ্তাহের ব্যবধানে চালের মানভেদে কেজিতে দুই থেকে চার টাকা বেশি। কিন্তু আমনের এই ভরা মৌসুমে চালের দাম আরো কমার কথা।

গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ইত্তেফাককে বলেন, করোনা মহামারির কারণে দেশে কয়েকজন অসত্ চাল ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছে। তারা আমনের ভরা মৌসুমেও অস্বাভাবিকভাবে চালের দাম বাড়াচ্ছে। এজন্য আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আজ (গতকাল সোমবার) সারা দেশে ডিসিফুডদের সঙ্গে বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—এখন থেকে কোনো মিল প্রতিদিন কত ধান কিনল, কী পরিমাণ চাল উত্পাদন করল, বাজারজাত করল ও মজুত রাখল তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস মনিটর করে প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়া আগে কোন মিলের উত্পাদন ক্ষমতার পাঁচ গুণ ধান-চাল মজুত রাখা গেলেও এখন তিন গুণের বেশি রাখা যাবে না। সেই সঙ্গে ৩০ দিনের বেশি মজুত রাখা যাবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো অবৈধ মজুত পেলে তা সরকারের ধান-চাল হিসেবে বিবেচিত হবে।