বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঐ বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর প্রতিনিধিরা যোগ দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সিআইডির দেওয়া একটি অর্থ পাচারের মামলার তালিকা দেওয়া হয়। কিন্তু এসব মামলার আসামি কারা সেখানে তার উল্লেখ ছিল না। এ কারণে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে বলে বৈঠক সূত্র জানায়।
গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্ট এক আদেশে বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের তথ্য চান। ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ঐ তথ্য আদালতে দাখিল করতে সরকারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৈঠকের পর অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বৈঠকে আমাদের সবার বক্তব্য উপস্থাপন করা হলো। আমরা এটা এফিডেভিট আকারে আদালতে জমা দেব, অন্য কিছু না। তথ্য যা আছে সেটাই দেওয়া হবে। সবাই আদালতের আদেশ মোতাবেক জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল জানতে চেয়েছেন কারা কি পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা কি পদক্ষেপ নিচ্ছি তা জানানো হয়েছে। আশা করছি, ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালতের আদেশ মতো তথ্য দাখিল করতে পারব। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিএফআইইউসহ সবাই একই কথা বলেছে।
