সরকার শিগিগরই চালু করতে যাচ্ছে দলিল মূলে নামজারি ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় ক্রয়কৃত কিংবা হস্তান্তরিত ভূমির নামজারি করার জন্য আর এসিল্যান্ড অফিসে নামজারি আবেদনের প্রয়োজন হবে না। প্রাথমিকভাবে সাভার উপজেলায় এ ব্যবস্থা চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ভূমি ক্রয়-বিক্রয় কিংবা হস্তান্তরের পর ভূমির নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) ও নামজারির (মিউটেশন) সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে গত ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপস্থাপিত প্রস্তাবটি আরো কতিপয় নির্দেশনাসহ অনুমোদন দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার ভূমি মন্ত্রণালয় এ সম্পর্কে মাঠ পর্যায়ের ভূমি অফিসের করণীয় বিষয়ক এক দিকনির্দেশনামূলক পরিপত্র জারি করেছে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ই-নামজারির আবেদনের মতো প্রাপ্ত দলিলের কপি এবং এলটি নোটিশ (ল্যান্ড ট্রান্সফার) একত্রিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-নামজারির জন্য মিস কেস রুজু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দলিল গ্রহীতার থেকে আলাদা করে আবেদন গ্রহণের আবশ্যকতা নেই। পরিপত্রে আরো বলা হয়েছে, জমি হস্তান্তর দলিল রেজিস্ট্রেশন করার সময় সাব-রেজিস্ট্রার তিন কপি দলিল সম্পাদন করবেন। এক কপি দলিল গ্রহীতা পাবেন, দ্বিতীয় কপি সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংরক্ষণ করবে এবং তৃতীয় কপি ও এলটি নোটিশের একটি কপি সাব-রেজিস্ট্রার সংশ্লিষ্ট উপজেলা/সার্কেল ভূমি অফিসে প্রেরণ করবেন।
দলিলের কপি ও এলটি নোটিশের কপি ভূমি অফিসে পৌঁছাবার পর প্রচলিত বিধান অনুযায়ী নামজারির ফি ও সার্ভিস চার্জ পরিশোধ করা এবং দলিল অবিকল নকল কপিসহ উপস্থিত হয়ে শুনানি গ্রহণের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ চার কার্যদিবসের মধ্যে সময় দিয়ে দলিল গ্রহীতাকে ই-মেইল/মেসেজ দিতে হবে। এছাড়া দলিলের কপি এবং এলটি নোটিশ সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট পৌঁছানোর তারিখ হতে পরবর্তী আট কার্যদিবসের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন নিশ্চিত করার কথা বলা আছে পরিপত্রে।
