সময় পেরোনোর পর পেঁয়াজ ও বোরো বীজ পেল চাষি

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:০১

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

বীজতলা তৈরির সময় পেরোনোর পর ঝিনাইদহের চাষিরা পেয়েছেন প্রণোদনার পেঁয়াজ ও বোরোর ধান বীজ। কয়েক দিন আগে চাষিদের মধ্যে এ বীজ বিতরণ করা হয়েছে। চাষিরা জানান, মাসখানেক আগে পেঁয়াজের বীজতলা তৈরির সময় পার হয়ে গেছে। সাধারণত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে চাষিরা পেঁয়াজ বীজতলা তৈরি শুরু করে। এখন চলছে চারা রোপণের সময়।

শৈলকুপা উপজেলা ব্রহ্মপুর গ্রামের চাষি মফিজুল ইসলাম জানান, পেঁয়াজের বীজতলা তৈরির পর চারা বড় হয়ে রোপণ উপযোগী হতে দুই মাস সময় লাগে। তাই এখন আর পেঁয়াজ বীজতলা তৈরির সময় নেই। আর বোরো বীজতলায় বীজ ফেলার পর প্রায় দুই মাস সময় লাগে। এখন বীজতলা তৈরির পর চারা রোপণ উপযোগী হতে ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেক হয়ে যাবে। তখন চারা রোপণ করলে অনেক নাবি হয়ে যাবে।শৈলকুপা উপজেলার বিজুলিয়া গ্রামের পেঁয়াজ চাষি মো. বাচ্চু মোল্লা জানান, এবার পেঁয়াজ বীজের সংকট ছিল। এজন্য প্রতি কেজি হাইব্রিড পেঁয়াজ বীজ সাড়ে ১৫ হাজার টাকা এবং সাধারণ বীজ সাড়ে ৫ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ১০ হাজার টাকা দরে কিনতে হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রতি জনকে সাড়ে ৭০০ গ্রাম করে ২ হাজার ৩০০ জনকে পেঁয়াজ বীজ ও দুই কেজি করে ১৫ হাজার চাষিকে বোরো বীজ দেওয়া হয়েছে। এ বীজ দিয়ে তারা এক বিঘা করে পেঁয়াজ ও বোরো ধান চাষ করতে পারবে। চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহ জেলায় ৯ হাজার ৫০ হেক্টরে পেঁয়াজ ও ৭৭ হাজার ৪৪০ হেক্টরে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।  এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, এখন আর পেঁয়াজ বীজতলা তৈরির সময় নেই। এ বীজ ছিটিয়ে বপন করা যাবে। তাতে ফলন কম হবে। তবে বোরো বীজতলা তৈরি করা যাবে। কিন্তু তাতে নাবি হবে। তিনি জানান, দেরিতে বীজ পাওয়ায় চাষিদের দিতেও দেরি হয়েছে।