ফাইনালে খুলনা-চট্টগ্রাম লড়াই

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:০৭

ঢাকার বিদায়

 জান-ই-আলম

এলিমিনেটরে ফরচুন বরিশালকে হারিয়ে ফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল বেক্সিমকো ঢাকা। একই ম্যাচে সতীর্থ নাসুম আহমেদের সঙ্গে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের অশোভন আচরণ দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল। পরে ক্ষমা চাইলেও জরিমানা গুণতে হয়েছে মুশফিককে। যে ঘটনার প্রভাব সুমসাম নীরবতায় ডুবিয়ে দিয়েছে গোটা দলকে। গতকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে প্রাণহীন, নিস্তব্ধ ঢাকাই হাজির হয়েছিল মাঠে। পুরো দলই যেন চুপসে গিয়েছিল। টসের আনুষ্ঠানিকতার পর মাঠে খুব কমই কথা বলতে দেখা গেছে খোদ অধিনায়ক মুশফিককে।

ঢাকার দলীয় নিষ্প্রভতাকে আরো ঘনীভূত করেছে ব্যাটিং ব্যর্থতা। প্রথম কোয়ালিফায়ার হেরে বসা গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামকে গতকাল তাই বড় বাধার সামনে পড়তে হয়নি। অনায়াসেই বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের ফাইনালের টিকিট পেয়েছে মিঠুনের দল। গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ফাইনালে উঠে গেছে চট্টগ্রাম। ১৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনালে জেমকন খুলনার বিরুদ্ধে লড়বে দলটি।

ঢাকার দেওয়া ১১৭ রানের টার্গেট পাড়ি দিতে সময় নিয়েছে চট্টগ্রাম। ঝুঁকি না নিয়ে ১৯.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১১৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দলটি। লিটন ৪০, মিঠুন ৩৪, সৌম্য ২৭ রান করেন। 

এর আগে টস জিতে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়েছিল ঢাকা। ওপেনিংয়ে সাব্বির-মুক্তারকে পাঠানোর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে দলটির। দলীয় ১৯ রানে ফিরেছেন তারা। সাব্বির ১১, মুক্তার ৭ রান করেন। তিনে আসা নাঈম শেখ (১২) সুবিধা করতে পারেননি। মিডল অর্ডারে মুশফিক, ইয়াসির আলীদের প্রতিরোধ স্থায়ী হয়নি। দলীয় ৭৫ রানে মুশফিক আউট হন। তিনি ২৫ রান করেন। ইয়াসির আলী ফিরেন ২৪ রান করে। শেষ দিকে আল-আমিন জুনিয়রের ২৫ রানে ১০০ পার হয় ঢাকার স্কোর। চট্টগ্রামের মুস্তাফিজ ৩টি, শরীফুল ২টি করে উইকেট নেন।

এদিকে গতকাল টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিসিবি। টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ক্রিকেটার পাবেন দেড় লাখ টাকা করে। রানার্সআপ দলের প্রত্যেক ক্রিকেটার ৭৫ হাজার করে, টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় ৩ লাখ, ফাইনালের ম্যাচ সেরা ১ লাখ, সেরা ব্যাটসম্যান-বোলার ২ লাখ করে, বিশেষ পারফরম্যান্স ক্যাটাগরিতে ৪ খেলোয়াড় পাবেন ১ লাখ টাকা করে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ঢাকা: ২০ ওভারে ১১৬

চট্টগ্রাম: ১৯.১ ওভারে ১১৭/৩

ফল: চট্টগ্রাম ৭ উইকেটে জয়ী

ম্যাচ সেরা: মুস্তাফিজুর রহমান (চট্টগ্রাম)