হাতিয়ার মেঘনায় বরযাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় নববধূসহ সাত জনের সলিল সমাধি হয়েছে। এ ঘটনায় ৪০ জনকে উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ রয়েছে আরো ১২ জন। মঙ্গলবার বিকেলে হাতিয়ার চানন্দী ঘাট থেকে ঢালচরগামী বরযাত্রীবাহী এ ট্রলারটি টাংকির ঘাটের সন্নিকটে ডুবে যায়। খবর পেয়ে হাতিয়া নৌপুলিশ ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা এসে মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে সাত জনের মরদেহ এবং ৪০ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। এছাড়া আরো ১২ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। নিহতরা হচ্ছে—নববধূ হাতিয়ার চানন্দী এলাকার ইব্রাহিমের মেয়ে তাছলিমা আকতার (২১), আফরিনা আকতার লামিয়া (২), আসমা বেগম (১৯), লিলি আকতার (৮), হোসনে আরা রুপা (৫), রাহেনা বেগম (৩০) ও নুরজাহান বেগম (৬৫)।
বরের খালাতো ভাই আকবর হোসেন জানান, বর শরীফ উদ্দিনের বাড়ি হাতিয়া উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন ঢালচর এলাকায়। বিয়ের পর ট্রলারযোগে বরের বাড়ি যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন তাত্ক্ষণিক খবর পেয়ে স্পিডবোটযোগে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা করে সাহায্য প্রদানের ঘোষণা দেন।
হাতিয়া থানার ওসি তদন্ত কাঞ্চন দাস জানান, প্রচণ্ড সে াতের তোড়ে ট্রালারটি ডুবে গেলে অনেকে সাঁতার কেটে নদী তীরে উঠে। বাকিদের স্থানীয় জনতা, পুলিশ ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা উদ্ধার করে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে।
