আগামী বছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০তম বর্ষপূর্তি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ৫০তম বছরকে স্মরণীয় করতে আগামী বছর বিজয়বর্ষ এবং মুজিববর্ষ উদ্যাপনের ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। গতকাল বুধবার কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে বাংলাদেশের বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের পর এ কথা জানিয়েছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান অনিল চৌহান।
বুধবার ফোর্ট উইলিয়ামে বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ‘বিজয় স্মারক’-এ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান অনিল চৌহান। শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন ভারতীয় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা এবং বাংলাদেশ থেকে আগত মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। অনিল চৌহান বলেন, জঙ্গি কার্যকলাপ মোকাবিলায় দুই দেশের সেনাবাহিনী সমন্বয় রেখে কাজ করছে। যৌথভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ২০টি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর ঘোড়া ও ১০টি মাইন ধ্বংসকারী অস্ত্র প্রদান করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে আগত ৭২ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের সরকারি প্রতিশ্রুতিবিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান মহম্মদ আলি আশরাফ। তিনি বলেন, ‘?মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় নাগরিকদের অবদান ভোলার নয়। সেই সময় ভারতে ১ কোটি শরণার্থী আশ্রয় পেয়েছিল। সেই অবদানও আমরা মনে রেখেছি।’? কলকাতার পাশাপাশি ত্রিপুরা, আসাম, জম্মু-কাশ্মিরেও বিজয় দিবস উদ্যাপন করা হয়। বাংলাদেশের বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসে শুরু হয়েছে দুই দিনের বিজয় উত্সব। সকালে উপদূতাবাস চত্বরে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপরাষ্ট্রদূত তৌফিক হাসান। বিকালে উত্সব উদ্বোধনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয়।
