মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মতিসৌধে ফুল দেওয়া নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে ভিপি নূরের সমর্থকেরা শহরের ফারুকী পার্কের স্মতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে তাদের বাধা দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও তার কর্মী-সমর্থকেরা। পরে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার সময় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এতে স্মৃতিসৌধ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ছাত্র অধিকার পরিষদের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া বলেন, ‘আমরা আনুমানিক ৩০-৪০ জন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। ছাত্রলীগ আমাদের বাধা দিয়ে চার-পাঁচ জনকে নিয়ে ফুল দিতে বলে। তাদের কথামতো ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধের অভ্যন্তর থেকে বের হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে জেলা কমিটির সভাপতি আশরাফুল হাসানসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।’
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে আমাদের কোনো হাতাহাতি বা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তারা শিবিরের কর্মীদের নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যায় এবং স্মৃতিসৌধে উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে পরিবেশ নষ্ট করে। পরে ছাত্রসমাজের লোকজন তদের বিতাড়িত করে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পুলিশের পরিদর্শক ইশতিয়াক আহমেদ (অপারেশন্স) বলেন, ‘স্মৃতিসৌধের অভ্যন্তরে কিছু হয়নি। বাইরে কিছু হয়েছে কি না, সেটি বলতে পারব না।’
