বানিয়াচংয়ে মাইকে ঘোষণা করে দুই গ্রামের কয়েক শ মানুষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। হাওরের পুরাখালে বাঁধ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়েছে। উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের কামালখানী ও মজলিশপুর গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টায় সংঘর্ষ শুরু হয়ে বেলা ১টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ স্থায়ী হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা ও বিভিন্ন জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ বন্ধ হয়।
বানিয়াচং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারায় জেলা থেকে দাঙ্গা পুলিশ নিয়ে আসা হয়। উভয় পক্ষে গুরুতর আহতরা হলেন আবিদুর, লালমিয়া, মনছুর, অলি হোসেন, জমির, অপু সরকার, নিপু, সাজিদ, নূরুল আমীন, সাজলু, ফজলু, জিলু, নাজমুল, হারুন, জসিম, আনসার মিয়া, মজলিশপুর গ্রামের নজির মিয়া। আহতদের বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানও আহত হয়েছেন।
বানিয়াচং থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমরান হোসেন জানান, বর্তমানে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, সবকিছু এখন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
