নড়াইলে ইজিবাইক চালক আবু রোহান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রমজান খাঁকে (২২) গ্রেফতার করেছে পিবিআই। গ্রেফতারকৃত রমজান শুক্রবার বিকেলে নড়াইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মোরশেদুল আলম এর আদালতে ফৌ. কা. বি. ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিনের নেতৃত্ত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) গাজী মাহ্বুবুর রহমান সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ নড়াইলের নিজ বাড়ি হতে তাকে গ্রেফতার করে বলে পিবিআই এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
শুক্রবার বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৫ নভেম্বর নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত বামনহাট (মাইজপাড়া টু গাবতলা) পাকা রাস্তার পাশ থেকে নড়াইল সদর থানার ডাঙ্গা সিঙ্গিয়া গ্রামের মো. চাঁন মিয়া মোল্যার ছেলে আবু রোহান মোল্লার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত রোহানের বাবা চাঁন মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন।
মামলাটি পিবিআই, যশোর জেলা স্ব-উদ্দ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার পুলিশ পরিদর্শক (নি.) গাজী মো. মাহবুবুর রহমানের ওপর অর্পণ করে। মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে পুলিশ সুপার রেশমা শারমিনের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নি.) গাজী মো. মাহবুবুর রহমানসহ পিবিআই, যশোরের আভিযানিক দল গত ২৭ নভেম্বর মো. আল মামুন (১৯), মো. শাহিন শেখ (১৯) ও মো. মাসুদ রানাকে (৩১) গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলে মো. আল মামুন ও মো. শাহিন শেখ কর্তৃক আদালতে দেয়া ফৌ. কা. বি. ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মো. রমজান খাঁকে গত ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। অভিযুুক্ত রমজান খাঁ ও তার সহযোগিরা পরস্পর যোগসাজসে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে বলেও জানানো হয়।
ইত্তেফাক/কেকে
