‘এক টুকরো রুটিও থাকতো না বাসায়’

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:২০

মার্কাস রাশফোর্ড ২০২০ সালটা শুরু করেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন সাধারণ ফুটবলার হিসেবে। কিন্তু তিনি বছরটা শেষ করছেন সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষের একজন যোদ্ধা হিসেবে। শিশু খাদ্য অনটন মোকাবেলায় তার নেয়া পদক্ষেপগুলো শুধু বৈশ্বিকভাবে প্রশংসিতই হয় নি; স্কুলে শিশুদের বিনামূল্যে খাদ্য বণ্টন, নিন্ম-মধ্যবিত্ত পরিবারদের সাহায্য করাসহ তার নেয়া পদক্ষেপগুলো  ব্রিটেন সরকারকেও বাধ্য করেছে রাষ্ট্রীয় নীতি সংস্কারে। বলতে গেলে তাকে সম্মান জানাতেই ফিফা তাদের বর্ষসেরা পুরস্কারের তালিকায় এবার যোগ করেছে নতুন এক ক্যাটাগরি, ফিফা ফাউন্ডেশন এওয়ার্ড।

ব্রিটেনের রাণীর পক্ষ থেকে এমবিই প্রাপ্ত এই ফুটবলারকে নিয়ে এবার একটি বিশেষ তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বিবিসি। ‘মার্কাস রাশফোর্ড: ফিডিং ব্রিটেন্স চিলড্রেন’, নামের এই তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে তার বেড়ে উঠার গল্প, উঠে এসেছে তার রাজনৈতিক সক্রিয়তার পিছনের গল্প। 

ওয়াইথেনশায়ারে জন্ম নেয়া রাশফোর্ড ও তার ৪ ভাই-বোনকে একা মানুষ করেছে তাদের মা, মেলানি রাশফোর্ড। সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য সেসময় একসাথে তিন জায়গায় কাজ করা মেলানি তথ্যচিত্রে বলেন, ‘অনেক সময় আমাদের বাসায় এক টুকরো রুটিও থাকতো না। কিন্তু আমি কখনো কাউকে জানাতাম এই দুর্দশার কথা।’ মায়ের অনুপ্রেরণাতেই ৭ বছর বয়সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে যোগ দেন মার্কাস।

মাঠের খেলা এবং তার মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ড, দুটোর পিছনেই প্রধান অনুপ্রেরণা তার মা জানিয়ে রাশফোর্ড বলেন, ‘খেলাধুলায় আপনাকে পিছন থেকে অনুপ্রেরণা দিবে এমন একটা কারণ লাগে। আর যখন আপনি এরকম দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে বড় হন, তখন দুর্দশাগুলোই আপনার সাথে চিরতরে লেপ্টে যায় এবং আপনার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করে।’

ইত্তেফাক/এসআই