গত ১৮ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘বন্দিদের মোবাইল ফোনে আলাপের সুযোগ দিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয় সিন্ডিকেট ’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ। তার দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে প্রথম দিকে বন্দিদের প্রতি সপ্তাহে এক দিন পাঁচ টাকার বিনিময়ে পাঁচ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হতো। পরবর্তীতে সময় বাড়িয়ে করা হয় সর্বোচ্চ আট মিনিট। এর বাইরে কোনো কিছুর বিনিময়ে কথা বলার সুযোগ নেই। আরো বলা হয়েছে, শুধু পিলখানা হত্যাযজ্ঞের সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি নয়, কোনো বন্দিরই খাবার হোটেল, চা দোকান ও পোশাকের ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ নেই। কারাভ্যন্তরে শীতবস্ত্রতো নয়ই, কোনো পোশাকই বিক্রি করা হয় না। বন্দির চাহিদা অনুযায়ী পিসির মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে পোশাক কিনে সরবরাহ করা হয়। কারা নিরাপত্তা ও বন্দিদের মাদক মুক্ত রাখার স্বার্থে বাইরে থেকে রান্না করা খাবার কারাভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। তাছাড়া চা-কফি এবং অন্যান্য খাবারের যে বাড়তি দাম নেওয়ার কথা বলা হয়েছে তা সঠিক নয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য :ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং সরেজমিন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। রীতিমতো খাতায় নাম ভুক্তির মাধ্যমে উল্লিখিত টাকার বিনিময়ে বন্দিদের মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত খাতা খতিয়ে দেখলেই সত্যতা মিলবে। আর সপ্তাহে এক দিন সর্বোচ্চ ৮ মিনিট কথা বলার সুযোগের তথ্য দেওয়া হলেও তার বিনিময়ে কত টাকা নেওয়া হয় তা উল্লেখ কার হয়নি। সর্বোপরি পিসির মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পোশাক কেনার কথা স্বীকার করা হলেও মূল তথ্য এখানেই নিহিত। কেননা সংবাদে উল্লেখিত অঙ্কের টাকা ছাড়া পোশাক মেলে না। খাবার পণ্যের দামও অনুরূপ, যা কারা সংশ্লিষ্ট মাত্রই বিদিত।
