শত্রুর তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে ট্রাম্পের!

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২৩:২২

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেচনায় শত্রুদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। আগে যারা ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন তাদের অনেকেই নির্বাচনে জালিয়াতি নিয়ে তার অভিযোগকে সমর্থন করেননি। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন বলেই মনে করেন ট্রাম্প।

ইলেকটোরাল কলেজ ভোটে বাইডেনের জয় নিশ্চিত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রাম্প জানান তার অ্যাটর্নি উইলিয়াম বার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। কিছুদিন আগেই বার জানান, ট্রাম্পের জালিয়াতির অভিযোগের ব্যাপারে কোনো সত্যতা পাননি।     আর তাতেই ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। বারের বক্তব্যের পর বার্তা সংস্থা এপি জানতে চেয়েছিল বারের ওপর তার আস্থা আছে কি না। ট্রাম্প তখন কোনো জবাব দিতে অস্বীকার করেন।

ডানপন্থি ফক্স নিউজের সঙ্গে ট্রাম্পের ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু নির্বাচনে হারের পর ফক্স নিউজের অপ্রত্যাশিত ভূমিকায় হতাশ ট্রাম্প। এখন তিনি কীভাবে ফক্স নিউজের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা যায় সেই চেষ্টা করছেন। ২০১৮ সালে জর্জিয়ার গভর্নর ব্রিয়ান কেম্পকে সমর্থন দেন ট্রাম্প। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন দেন কেম্প। কিন্তু আগামী দিনে তার জায়গায় অন্যকে সমর্থন দেওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প। এর কারণ জো বাইডেনকে জয়ী ঘোষণা করে গভর্নর হিসেবে ফল প্রত্যয়ন করেছেন তিনি। এই রাজ্যে ১৯৯২ সালের পর কোনো ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এছাড়া জর্জিয়ার শীর্ষ রিপাবলিকান নেতারাও ট্রাম্পের তোপের মুখে রয়েছেন। অ্যারিজোনার গর্ভনর ডগ ডুসেইর অবস্থাও কেম্পের মতো। তার রাজ্যেও বাইডেন জয়ী হয়েছেন।

২০১৯ সালে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী থেকে মন্ত্রী করা হয় মার্ক এসপারকে। ট্রাম্প তখন বলেছিলেন যে, তিনি একটি ভালো কাজ করেছেন, যাতে কোনো সন্দেহ নেই। গত মাসে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এরপর গত জুনে বিক্ষোভ চলার সময় সক্রিয় সেনা নামানোর ব্যাপারে ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ওপর আস্থা রাখতে পারছিলেন না ট্রাম্প। যে কারণ ৯ নভেম্বর তাকে বরখাস্ত করেন।

কংগ্রেসে বিল পাশ

করোনা সংকট মোকাবিলায় ৯০০ বিলিয়ন (৭৬ লাখ ৫০০ কোটি টাকা) একটি দীর্ঘ প্রতিক্ষিত প্যাকেজের ব্যাপারে দুই দলের নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি। তবে সরকার শাটডাউন (সরকারের কর্মকাণ্ড বন্ধ) এড়াতে একটি বিল পাশ হয়েছে কংগ্রেসে। হাউজ এবং সিনেট সরকারের তহবিল রবিবার পর্যন্ত বাড়ানোর ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছে। যাতে রবিবার রাত পর্যন্ত এজেন্সিগুলো কাজ অব্যাহত রাখতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্রুত এই বিলে সই করবেন বলে হোয়াইট জানিয়েছে।