ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, মইনুল হোসেন বিপ্লব একটি জনসভার, ভিডিও ক্লিপ কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
ওই জনসভায় মইনুল হোসেন বিপ্লব উপস্থিত কর্মী-সমার্থকদের উদ্দেশ্যে তাকে জিজ্ঞাসা করা এক ব্যক্তির প্রশ্ন সম্পর্কে বলেন, ঐ ব্যক্তি নাকি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিল আপনি ছাত্রলীগ, যুবলীগ না করে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন কিভাবে? পরবর্তীতে মইনুল হোসেন বিপ্লব ঐ ব্যক্তিকে প্রশ্ন করেন, তাহলে শেখ হেলালের ছেলে এমপি হল কীভাবে? তিনি আরো বলেন, যে তার করা প্রশ্নের নাকি ঐ ব্যক্তি আর দিতে পারেনি।
পরবর্তীতে এই ভিডিও ভাইরাল হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সারাদেশে শেখ তন্ময়ের কর্মী-সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মইনুল হোসেন বিপ্লবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স লিখেন, ‘মইনুল হোসেন বিপ্লব আপনি কি জানেন না ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে বাংলাদেশের তরুণদের ভোট নৌকা মার্কার পক্ষে টানতেই বঙ্গবন্ধু কন্যা টুঙ্গীপাডার এই টগবগে তরুণকেই নির্বাচনী নমিনেশন দিয়েছিলেন।যিনি গত নির্বাচনে ভোটারদের ভেতর অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছিলেন।বাগেরহাট -২ (সদর-কঁচুয়াকে) যিনি ইতিমধ্যে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত জনপদে তৈরি করেছেন।তার সম্পর্কে এমন কূরুচিপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
শেখ তন্ময়ের বিপক্ষে করা এমন বক্তব্যের প্রতিবাদ বাগেরহাট জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ, খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ ও যুবলীগ গতকাল ৩টায় নিজ নিজ জেলা ও মহানগরে প্রতিবাদ মিছিল ও মইনুল হোসেন বিপ্লবের কুশপুত্তলিকা দাহ করে।
এদিকে, ঢাকায় শেখ তন্ময়ের বিপক্ষে করা এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ মিরপুর -১ মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মিছিল শেষে মইনুল হোসেন বিপ্লবের কুশ পুত্তলিকা দাহ করে তার কর্মী সমার্থক ও ভক্তরা।
খুলনা মহানগর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক, শেখ শাহজালাল সুজন বলেন, বঙ্গবন্ধু পরিবারের এই উত্তরাধিকারীকে নিয়ে কোনো আপোষ হবে না। একবিন্দু ছাড দেওয়া হবে না।
বাগেরহাট জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নাসির সরদার বলেন, শেখ তন্ময়কে এই বাগেরহাটের মানুষ কতটা ভালবাসা কেউ বাগেরহাট না আসলে বোঝা যাবে না। অবিলম্বে তাই মইনুল হোসেন বিপ্লবকে জাতির সামনে ক্ষমা চাইতে হবে। এ রকম বিদ্বেষ মূলক বক্তব্যের জন্য অন্যথায় আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ইত্তেফাক/কেকে
