গত ১৭ ডিসেম্বর দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা বগুড়ার ভাসুবিহার’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি পড়ে আমরা জানতে পারি, প্রখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েনসান ৬৩৮ সালে ভাসুবিহারে আসেন এবং তিনি এখানে তিন মাস অবস্থান করেন। এ থেকে ধারণা পাওয়া যায়, সুদুর অতীতে চীনের সঙ্গে এ দেশের সম্পর্ক কেমন ছিল। সে সময় তিব্বত, চীন থেকে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা দলে দলে এখানে এসে লেখাপড়া করতেন। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভাসুবিহারকে নিয়ে আমরা বগুড়াবাসী গর্ববোধ করতে পারি। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ভাসুবিহার আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠার অপার সম্ভাবনা রয়েছে, যা ইত্তেফাকে প্রকাশিত রিপোর্টে চমত্কারভাবে ফুটে উঠেছে। আমরা আশা করি, সরকার ভাসুবিহারের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
আবদুল গনি ও আনোর খান
গ্রাম: আমতলি মোকামতলা,
শিবগঞ্জ, বগুড়া
