মারধরের অভিযোগ স্বামীর, অস্বীকার তমা মির্জার

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০৭

যৌতুক, নির্যাতন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে স্বামী বাংলাদেশি-কানাডিয়ান ব্যবসায়ী হিশাম চিশতির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন চিত্রনায়িকা ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা তমা মির্জা। অন্যদিকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে স্ত্রীর বিরুদ্ধে পালটা মামলা করেছেন হিশাম চিশতি। গত ৫ ডিসেম্বর মামলা দুটি হয়েছে বাড্ডা থানায়। মামলা করে কানাডা চলে গিয়েছেন হিশাম। এবার সেখান থেকে মুখ খুলেছেন তিনি। সেখানকার বাংলা সংবাদ মাধ্যম ও ফেসবুকে পুরো ঘটনা জানিয়ে হিশাম বক্তব্য দিয়েছেন।

হিশাম জানান, ২০১৯ সালের মে মাসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা। বিয়ের পর তমার বাবার পরিবারের খরচ চালানোর দায়িত্ব তার ওপর আসে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। এক পর্যায়ে সম্পর্কে তিক্ততা সৃষ্টির পর তমাকে ডিভোর্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মারধর করে তার হাত ভেঙে ফেলা হয়। তমার আনা যৌতুকের অভিযোগ সম্পূর্ণ হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন উল্লেখ করে হিশাম জানান, টাকা এবং কানাডিয়ান নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্যই হিশামের সঙ্গে তমার বিয়ে দেয় তার পরিবার।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্বামী হিশাম চিশতির অভিযোগ নাকচ করে চিত্রনায়িকা তমা মির্জা বলেন, পাগলের সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না। আমার স্বামী এক জন সাইকো। আমার উপার্জনের টাকা কেন আমার পরিবারকে দেই। এটাতে বাধা দেয় সে। আমাকে কাজ করতেও বাধা দেয়। যৌতুকের জন্য মারধরও করেছে একাধিকবার। সে আমাকে ডিভোর্সও দিতে চায় না। কয়েকবার মিউচুয়াল ডিভোর্স দিতে আইনজীবীর চেম্বারে গিয়েছিলাম। সেখানে আইনজীবীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করে চলে এসেছে। যেহেতু থানা পুলিশ হয়েছে, এবার আইনিভাবেই এগোবো আমি।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে ‘বলো না তুমি আমার’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে সিনেমায় আত্মপ্রকাশ ঘটে তমা মির্জার। ‘নদীজন’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।