‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, করোনাকালে সাভার উপজেলায় নারী ও শিশু নির্যাতনের মাত্রা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে গৃহীত আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ থাকা সত্ত্বেও পর্নোগ্রাফি ও সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। গত কয়েক মাসে সাভারে ৪২ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। গতকাল এদেশ কার্যালয়ে সাভার নারী যোগাযোগ কেন্দ্র (এনজেকে) আয়োজিত সেমিনারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত মামলার বিচারের ধীরগতির জন্য পুলিশের গাফিলতি ও আদালতের কাঠামো অনেকাংশে দায়ী। যথাযথ সাক্ষী-প্রমাণ সংরক্ষণ ও উপস্থাপন এবং পুলিশের চার্জশিট ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতরা পার পেয়ে যাচ্ছে। সেমিনারে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনিরা আক্তার। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের আহ্বায়ক রোকেয়া হক, অ্যাডভোকেট সুলতানা রাজিয়া, নাসিমা খানম, তমা খন্দকার প্রমুখ।
