তীব্র শীতে মির্জাপুরে শিশুদের বাড়ছে ঠাণ্ডা জনিত রোগ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৫৪

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গত ১৫-২০ দিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ঠাণ্ডা জনিত রোগসহ ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এ সমস্ত রোগ বেশি করে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার ( ২১ ডিসেম্বর) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের উপচেপড়া ভিড়। রোগীদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে দেখা যাচ্ছে।

মির্জাপুর উপজেলায় গত ১৫-২০ দিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা শুরু হয়েছে। শীত ও ঘন কুয়াশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত জনিত নানা রোগ। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে শিশুদের জ্বর, শ্বাস তন্ত্র, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও বড়দের এজমা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার মির্জাপুর উপজেলা সদরের কুমুদিনী হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীদের উপচেপড়া ভিড়।

বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা গেছে কয়েক শতাধিক অভিভাবক ঠাণ্ডা জনিত রোগে অসুস্থ শিশুদের নিয়ে চিকিৎসার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বহির্বিভাগে প্রতি দিন দুই থেকে আড়াইশ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ডগুলোতেও একই অবস্থা। একই অবস্থা দেখা গেছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

এদিকে কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসকগন ভর্তিকৃত শিশুদের তাদের বিভিন্ন ভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া শিশুদের অভিভাবকদের রোগ প্রতিরোধের জন্য গরম জামা কাপড়, ঠাণ্ডা জনিত এলাকা এড়িয়ে চলা, গরম তরল খাবার ও পুষ্টি জনিত খাবারসহ নানা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। 

এ ব্যাপারে কুমুদিনী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (পেডিয়াটিকস) এমপিএইচ (নিপসম) ডা. এ বি এম আলী হাসান বলেন, গত বেশ কিছু দিন ধরে প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে শিশুসহ বয়স্কদের মধ্যে ঠাণ্ডা জনিত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের জ্বর, শ্বাস তন্ত্র, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও বড়দের এজমাসহ নানা রোগ। 
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম জানিয়েছেন, উপজেলা সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রে এবং মা শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্য সহকারী ও স্বাস্থ্য সেবিকাগন শীত ও ঘন কুয়ায় ঠাণ্ডা জনিত রোগ প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক পরামর্শ ও কাজ করে যাচ্ছেন।

ইত্তেফাক/এসআই