পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের মধ্যে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বঙ্গবন্ধু সব সময় শান্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এবং বাংলাদেশের জনগণও সব সময় শান্তিপ্রিয়। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন এই বিষয়টিও আমরা সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই। গতকাল রবিবার ‘বিজয় দিবসের চেতনা ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনাসভায় মন্ত্রী বলেন, অনেকে বাংলাদেশকে দারিদ্র্য, দুর্যোগক্লিষ্ট, দুর্নীতিপরায়ণ দেশ হিসেবে ব্রান্ডিং করেন। কিন্তু বাংলাদেশ এখন অপার সম্ভাবনার দেশ, অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোলমডেল, দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতিতে প্রথম, নারীর ক্ষমতায়নে নক্ষত্র। এদেশ বিনিয়োগে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু দেশের জন্য আরেকটি বড় বিজয়। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তার কারণে নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমান সরকার জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চায়। দুর্নীতি রোধে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে সাহায্য করছে।’
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ব্যাপারে নজর রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধুর কয়েক জন খুনি পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে আমেরিকা ও কানাডায় ‘সিগনেচার ক্যাম্পেইন’ শুরু করেছে। তারা ‘সিগনেচার’ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সরকারের কাছে দিচ্ছে।
ভার্চুয়াল এ সভায় সংযুক্ত ছিলেন শেখ পরিবারের প্রবীণতম সদস্য শেখ কবির হোসেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকার, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ঠান্ডু ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক।
