প্রবাসী বন্ডে বিনিয়োগে মিলবে না সিআইপি

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৩৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডসহ বিদেশি মুদ্রার তিন ধরনের বন্ডে বিনিয়োগ করে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (সিআইপি) মর্যাদা এখন থেকে আর পাওয়া যাবে না। এই তিন ধরনের বন্ডের মোট বিনিয়োগ সীমা ১ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের কোনো ঊর্ধ্বসীমা ছিল না। ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে ৮ কোটি টাকা বা এর বেশি টাকা বা সমপরিমাণের বিদেশি মুদ্রা বিনিয়োগ করলে মিলত সিআইপি মর্যাদা। ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে ১০ লাখ ডলার করে বিনিয়োগ করলেও মিলত এই মর্যাদা। বিনিয়োগ সীমায় লাগাম দেওয়ায় ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগ করে সিআইপি মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ আর থাকছে না বলে জানান জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শামছুন্নাহার বেগম।

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি রেমিট্যান্স প্রেরক নিজ নামে অথবা তার মনোনীত ব্যক্তির নামে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারেন। এছাড়া রেমিট্যান্সের সুবিধাভোগীর নামেও এ বন্ড কেনা যায়। বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারী; বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসে কর্মরত বাংলাদেশ সরকারের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, যারা বৈদেশিক মুদ্রায় বেতন-ভাতাদি পেয়ে থাকেন, তারা তিন ধরনের বন্ডই কিনতে পারেন। তিন বছর মেয়াদি বিদেশি মুদ্রার এসব বন্ডে ১২ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। অর্থাত্ সঞ্চয়পত্রের চেয়েও এসব বন্ডের মুনাফা বেশি পাওয়া যায়। সঞ্চয়পত্রে প্রায় ১১ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি সঞ্চয় স্কিমগুলোর মোট বিনিয়োগ সীমাও কমিয়েছে সরকার।