এফআরসি এবং আইসিএবির
মধ্যে সমঝোতা স্বাক্ষর
ইত্তেফাক রিপোর্ট
ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়াম্যান ড. মো. হামিদ উল্লাহ ভূইয়া বলেছেন, লিস্টেড কোম্পানি দেশের মোট দেশজ উত্পাদনে (জিডিপি) অবদান রাখছে মাত্র ৯ শতাংশ যেটি খুবই কম। যদি কোম্পানিগুলো সঠিক নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী জমা দেয় তাহলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায় আনেক বৃদ্ধি পাবে। ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করার জন্য দ্য ইনিস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। গতকাল এফআরসির চেয়াম্যান ড. মো. হামিদ উল্লাহ ভূইয়া এবং আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ফারুক, এফসিএ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে এফআরসির চেয়াম্যান আরো বলেন, ডিভিএস কার্যকরী হলে দুই বা তিন ধরনের আর্থিক বিবরণী তৈরি করা বন্ধ হবে। একটি একক নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী তৈরির প্রবণতা তৈরি হবে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এফআরসির প্রধান যে লক্ষ্য, আর্থিক বিবরণী মনিটর করা—তা অর্জিত হবে। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ ফারুক এফসিএ বলেন, একাধিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করার প্রবণতা রোধ করা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইসিএবি এই ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম চালু করে। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (ডিভিএস) সফটওয়্যারের ওপর উপস্থাপনা তুলে ধরেন আইসিএবির ভাইস প্রেডিডেন্ট মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দীন এফসিএ। তিনি বলেন, প্রতি বছর ১৬ হাজার নিরীক্ষা প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করে আইসিএবির নিবন্ধিত নিরীক্ষকরা। রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে প্রতি বছর জমা পড়ে ৪৬ হাজার নিরীক্ষা প্রতিবেদন। বাকি ৩০ হাজার প্রতিবেদন কারা স্বাক্ষর করে সে প্রশ্ন করে তিনি বলেন, এই ডিভিএস চালুর পরে এই ৩০ হাজার কোম্পানি নিরীক্ষা জালিয়াতি করতে পারবে না। ফলে সরকারের রাজস্ব আয় অনেক বৃদ্ধি পাবে।
