দেশে এনজিও এবং নাগরিক সংগঠনগুলোর নতুন বৃহত্তর জোট গঠন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০০ এনজিও ও নাগরিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এই জোট গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নতুন জোটের নাম এখনই ঘোষণা করা না হলেও দেশের সব এনজিও ও নাগরিক সংগঠনকে একই ছাতার তলে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী প্রধান অতিথি ছিলেন।
তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে এনজিওদের অবদান অপরিসীম। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে নাগরিক সংগঠনগুলো ভূমিকা পালন করেছে। বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সংগঠনগুলোর একটি বৃহত্তর জোট গঠন করা অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের এসডিজি অর্জনের জন্য এই জোটের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চাত্পদ, অবহেলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম ও অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ।
ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে নবগঠিত এই বৃহত্তর জোটের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং পরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করতে প্রাথমিকভাবে দুই বছর এর সচিবালয়ের দায়িত্ব পালনের জন্য মনোনীত হয়েছে ব্র্যাক।
রাশেদুল ইসলাম বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সবাই মিলে ভূমিকা পালন করতে হবে। এনজিও ব্যুরো এ ব্যাপারে এই জোটকে সর্বতভাবে সহায়তা করবে।
ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, সরকারের সঙ্গে মেলবন্ধন গড়ে তোলা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও প্রগতিমুখী সমাজ গঠনে বেসরকারি সব সংস্থার জোটবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষাবিষয়ক জোট ক্যাম্পের চেয়ারপারসন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী এবং সঞ্চালনা করেন ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কে এম মোরশেদ।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বেসরকারি সংস্থা এবং সিএসও-র একীভূত জাতীয় সমন্বয় ও প্রতিনিধিত্ব কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়ে ওঠে যখন সরকার বিদেশি অনুদান (স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশবাদী) নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
