কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের ঘোষবাড়ির কালিমন্দিরের পাশে স্কুলছাত্র জয় চন্দ্র ঘোষকে (১৫) হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়ার রহস্য উদঘাটন করেছে দেবিদ্বার থানা পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একই বাড়ির দূর্জয় চন্দ্র দাস (১৩) নামে কিশোরকে আটক করে পুলিশ।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দূর্জয় এ হত্যার দায় স্বীকার করে এবং ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দী দেয়। দূর্জয় চন্দ্র দাস একই বাড়ির শিতল চন্দ্র দাসের পুত্র। নিহত জয় চন্দ্র ঘোষ উপজেলার নবিয়াবাদ গ্রামের অমর চন্দ্র ঘোষের পুত্র। সে চান্দিনা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো।
পুলিশের জবানবন্দিতে দূর্জয় জানায়, ‘তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সহপাঠিদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় জয় চন্দ্র ঘোষের। পরে এ শত্রুতা তীব্র আকার ধারণ করে। গত ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে জয় চন্দ্র ঘোষকে সে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় ঘোষবাড়ি কালিমন্দিরের কাছে। এক পর্যায়ে পিছন থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সঙ্গে সঙ্গে জয় চন্দ্র ঘোষ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মৃত্যু নিশ্চিত হলে মন্দিরের পাশেই তাকে গর্ত করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।’
হত্যাকাণ্ডের ৮দিন পর নিহতের ডান হাতের ওপর থেকে মাটি সরে যাওয়ায় স্থানীয়রা দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।
আরও পড়ুনঃ মোল্যারহাটে মোটরসাইকেল ছিনতাই ঘটনায় চালকের লাশ টেকেরহাটে উদ্ধার
ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িত দূর্জয় চন্দ্র দাস বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। স্বীকারোক্তির পর তাকে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে।’
ইত্তেফাক/নূহু
