কেন নামটা ‘বক্সিং ডে টেস্ট’

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:৫১

‘ভদ্রলোকের খেলা’ ক্রিকেটের অন্য নাম। ব্যাট-বলের লড়াইয়ে বাইশ গজ গরম হলেও মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের আচরণ কিন্তু শান্তই থাকে। ফুটবলে একে অন্যের প্রতি শারীরিক আক্রমণের সুযোগ থাকলেও ক্রিকেটে তা নেই। তাই সভ্যতার এই যুগে এসে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা আরো বাড়ছে।

ক্রিকেটের জন্মস্থান ইংল্যান্ড বছরে একবার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে অ্যাশেজে মুখোমুখি হয়। সম্মান, মর্যাদার দিক থেকে পাঁচ ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজটি নিঃসন্দেহে সবার ওপরে অবস্থান করছে। এর পরেই অবশ্য চলে আসবে ‘বক্সিং ডে টেস্টে’র নাম। ১৯৫০ সালে শুরু হওয়া এই টেস্ট প্রতি বছরের ২৬ ডিসেম্বর মাঠে গড়ায়। সাধারণত অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা বক্সিং ডে টেস্ট আয়োজন করে।

অনেকের মনে প্রশ্ন, ক্রিকেট যদি ভদ্রলোকের খেলা হয় তাহলে এখানে ‘বক্সিং’ শব্দটা এলো কেন? বিশেষ এই টেস্টে মারামারি জাতীয় কিছু হয় কি? আসলে তেমন কিছু নয়। এই নামকরণের পেছনের ছোট একটা গল্প আছে অবশ্য।

জাকঝমকের সঙ্গে প্রতিবছরের ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব ‘বড়দিন’ পালন করে থাকে। এ উপলক্ষ্যে তার পরের দিন একে অন্যের মাঝে বাক্সে ভরা উপহার আদান প্রদান করে থাকেন তারা। বাক্সকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘বক্স’। আর দিনটি যেহেতু ২৬ ডিসেম্বর, তাই এদিন অনুষ্ঠিত সকল টেস্টকেই ‘বক্সিং ডে টেস্ট’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।

এদিন একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের টেস্টটি পায় বাড়তি আলো। যেখানে এবার স্বাগতিকরা লড়াই করছে ভারতের সঙ্গে। মাউন্ট ম্যাঙ্গানুইতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলছে পাকিস্তান। এছাড়াও কয়েক ঘণ্টা পর সেঞ্চুরিয়ানে শুরু হবে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যকার টেস্ট।

ইত্তেফাক/টিআর