সংক্রমণের মধ্যেও ব্রিটেনে টিকা নিয়ে অনেকের অনীহা

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:০০

ব্রিটেনে করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের মধ্যেও মানুষের মধ্যে এর টিকা নিয়ে নানা সন্দেহ, দ্বিধা ও আপত্তি দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এতো অল্প সময়ে এর ভ্যাকসিন বের হয়েছে, যে কারণে এখনো তাদের মধ্যে আস্থার জায়গা তৈরি হয়নি। আবার কেউ কেউ এর ট্রায়াল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। বিবিসি বাংলা

সরকারি হিসাবে ইংল্যান্ডে এখন প্রতি ৮৫ জনের এক জন সংক্রমিত। গত ১৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত এক হিসাবে ইংল্যান্ডে কোভিড রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৫০ হাজার। আগের সপ্তাহে ঐ সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৭০ হাজার। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হচ্ছে লন্ডনে। কিন্তু লন্ডনের স্বাস্থ্যকর্মীরা বলছেন, সংক্রমণের ভীতি বাড়লেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ ভ্যাকসিন নিতে অস্বীকার করছেন। ইংল্যান্ডের জাতীয় স্বাস্থ্য বিভাগের (এনএইচএস) কর্মকর্তা মোস্তফা ফারুক বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়া শুরুর প্রথম সপ্তাহেই তারা সন্দেহ, বিভ্রান্তি এবং আপত্তির মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যখন ফোনে ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি তখন অনেকেই এটি নিতে তাদের সন্দেহ পোষণ করছেন।’ তিনি বলেন, ‘প্রথম সপ্তাহে টাওয়ার হ্যামলেটসের ৩৬টি জিপি সার্ভিসের মাধ্যমে ৮০ বা তার বেশি বয়সি ৯৩৫ জনকে টিকা দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপত্তি-অনীহার কারণে লক্ষ্যমাত্রার ৪৪ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। ফলে বেঁচে যাওয়া ভ্যাকসিনগুলো ডাক্তার, নার্স বা অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হয়েছে। মানুষের মধ্যে কেন এই টিকা নিতে অনীহা—এর উত্তরে তিনি বলেন, অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে আছেন সত্যিকার অর্থে এটি কতখানি কাজ করবে। তারা এর জন্য আরেকটু সময় নিয়ে ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে চান। গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে ব্রিটেনে ফাইজার/বায়োএনটেকের টিকা দেওয়া শুরু হয়।

প্রথম দফায় ৮০ বছর এবং তার ঊর্ধ্ব বয়সিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্য সরকার বলছে, প্রথম সপ্তাহেই ৬ লাখেরও বেশি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।