না ফেরার দেশে অভিনেতা আবদুল কাদের

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:৪৩

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ক্যানসারের সঙ্গে করোনা সংক্রমণের ধকল আর নিতে পারল না তার শরীর। সবাইকে কাঁদিয়ে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেতা আবদুল কাদের। গতকাল শনিবার সকালে তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি... রাজিউন)। কাদেরের পুত্রবধূ জাহিদা ইসলাম জেমি জানান, সকাল ৮টা ২০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী খায়রুন্নেসা কাদের, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। শিল্পকলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আবদুল কাদেরকে বনানী কবরস্থানে বাদ মাগরিব মায়ের কবরে দাফন করা হয়।

শনিবার আবদুল কাদেরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে সংস্কৃতি অঙ্গনে। তার ভক্তরাও শোকে আকুল হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন। স্মৃতিচারণ                 করে পোস্ট দিয়েছেন সহশিল্পী-বন্ধুরা। টিভি নাটকে আবদুল কাদের ছিলেন তুমুল জনপ্রিয় অভিনেতা। সক্রিয় ছিলেন মঞ্চে, চলচ্চিত্রে। হুমায়ূন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের বদি চরিত্র তাকে তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দেয়। হানিফ সংকেতের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র একজন নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। তার অভিনয় মানুষকে আলোড়িত করেছে, হাসিয়েছে, কাঁদিয়েছে। অভিনেতা আবদুল কাদেরের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও শোক জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

জেপির শোক

আবদুল কাদেরের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী শেখ শহীদুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে জেপির নেতৃদ্বয় বলেন, এদেশের নাট্যাঙ্গনে আবদুল কাদের ছিলেন একজন শক্তিশালী অভিনেতা। তার ইন্তেকালে অভিনয় জগতে বিরাট ক্ষতি হলো। নেতৃদ্বয় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।