সুনামগঞ্জের দিরাই পৌর শহরের সুজানগর এলাকায় চালক ও হেলপারের আপত্তিজনক আচরণে চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন এক কলেজছাত্রী, যে খবর ছাপা হয়েছে গতকালের দৈনিক ইত্তেফাকে। এর আগে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে চলন্ত বাসে একজন নার্সকে গণধর্ষণের পর হত্যা এবং একই ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসেও। এই দুই ঘটনায় হওয়া মামলার বিচার এখনো চলমান।
২০০০ সালে জারি করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণকাণ্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় নারীর প্রতি সহিংসতার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। অপরাধীরা ধরেই নিচ্ছে যে অপরাধ করলে শাস্তি হবে না। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির বাতাবরণে প্রকৃত অর্থে দুর্বৃত্তরাই উত্সাহ পাচ্ছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার জন্য সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি আমাদের মধ্যে নীতি-নৈতিকতার অভাব লক্ষণীয়। গৃহবধূ, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কোমলমতি শিশুরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না, যা নৈতিকতার চরম অবক্ষয়কেই নির্দেশ করে। তাই সামাজিক জনসচেতনতার পাশাপাশি কঠোর আইন প্রয়োগ করে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার বিকল্প নেই।
মো. আবদুল হাকিম জুবাইর
শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
