বদলগাছী (নওগাঁ) সংবাদদাতা
বদলগাছীতে ভুয়া সনদে বয়স বাড়িয়ে মেয়েদের বাল্যবিবাহ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি তত্পরতা থাকলেও অভিভাবকদের কারণে এসব বাল্যবিবাহ হচ্ছে বলে সচেতন মহলের অভিমত। এসব বিষয়ে তারা দায়ী করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। কারণ তারা ভুয়া জন্ম সনদে বয়স বাড়িয়ে দিয়ে সহায়তা করছেন। আর এই সনদকে বড় প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগিয়ে অল্প বয়সের মেয়েদের বিয়ের পিঁড়িতে বসাচ্ছেন। হিসাবমতে একটি অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর ১১ থেকে ১৪ বছর বয়স হয়, সেখানে চেয়ারম্যান কর্তৃক জন্মসনদে ১৮ থেকে ২০ বছর দেওয়া হচ্ছে। ফলে দিনে দিনে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা সদরের কাজী মনজের আলী বলেন, আমরা জন্মসনদে বয়স দেখে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করি।’ কোলা ইউপি চেয়ারম্যান শাহিনুর ইসলাম স্বপন বলেন, ‘আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বয়স অনুপাতে জন্মসনদ দেওয়া হয়। কাজিরা তাদের নিজের স্বার্থে বয়স বাড়িয়ে বিয়ে দিচ্ছে।’ বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির বলেন, ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমি উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা, আটটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও কাজিদের নিয়ে আলোচনা করেছি। কাজিদের নিষেধ করা হয়েছে তারা যেন কেনোভাবেই বাল্যবিয়ে না দেন।’
