দিনাজপুরে খানসামা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু দেড় বছর ধরে অ্যাম্বুলেন্সগুলোর চালক না থাকায় সময়মতো চিকিত্সাসেবা নিতে পারছেন না রোগীরা। এতে রোগী পরিবহনে প্রাইভেট গাড়ির জন্য তাদের স্বজনদের অন্যত্র ছুটতে হচ্ছে। দেখা গেছে, এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সা নেওয়ার পর রোগীদের উন্নত চিকিত্সার প্রয়োজন হলে স্থানান্তর করতে হয় দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল অথবা রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু রোগীদের বাহন হিসেবে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও নেই কোনো চালক। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (পাকেরহাট) সর্বশেষ অ্যামু্বলেন্স চালক প্রায় দেড় বছর আগে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। দেড় বছর অতিবাহিত হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোনো অ্যাম্বুলেন্সচালক পদায়ন না হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গ্যারেজে দুটি ও খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সের যন্ত্রাংশ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তবে করোনাকালীন শুধু নমুনা পৌঁছানোর কাজে নতুন অ্যাম্বুলেন্সের চালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন এক জন। খানসামা উপজেলার পাকেরহাট গ্রামের মোকছেদুল ইসলাম নামের এক যুবক জানান, সপ্তাহখানেক আগে রাতে রোগী নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাই। রোগীর সমস্যা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু দিনাজপুর যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় প্রাইভেট মাইক্রোবাস নিয়ে আমাকে যেতে হয়। এতে টাকা বেশি লাগলেও মাইক্রোবাসের ব্যবস্থা করতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, আমি যোগদানের পরেই অ্যাম্বুলেন্সের চালক নিয়োগের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। এছাড়াও একাধিকবার মৌখিকভাবে আমি তাদের জানিয়েছি।
