প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, আমরা এখনো পর্যন্ত যে রিপোর্ট পেয়েছি তাতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে, নির্বাচন সাকসেসফুল হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, খুলনার দাকোপ উপজেলার চালনা পৌরসভা নির্বাচনের ভোটের সময়ে বিএনপির প্রার্থী মারা যাওয়ায় ঐ পৌরসভার মেয়র পদের ফল স্থগিত করা হয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন ও আমাদের মাঠ প্রশাসনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ভোট ভালো হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল। সব জায়গায় শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার গাড়ি যাওয়ার জন্য পুলিশ রাস্তা থেকে লোকজন সরতে বলার কারণে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, ভাঙচুর হয়। এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেব। আর সীতাকুণ্ড পৌরসভায় দুষ্কৃতকারীরা ইভিএম কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা সফল হতে পারেনি। টানাটানিতে ইভিএমের মনিটরটি পড়ে ভেঙে যায়। পরে সেটি রিপ্লেস করে ভোটগ্রহণ করা হয়। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঢাকার ধামরাই পৌরসভা নির্বাচনের সময় গণমাধ্যম কর্মীর ওপর হামলা ও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সচিব বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে এখনো আসেনি। আপনাদের কাছ থেকে প্রথমে খবরটি শুনলাম। এ বিষয়ে আমরা খবর নেব। এ বিষয়ে প্রতিবেদন পেলে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। পৌরসভা নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো পৌরসভায় ৬০ শতাংশের কম ভোট পড়েনি। কোথাও কোথাও ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে।
আলমগীর বলেন, চালনা পৌরসভার মেয়র পদের ফল প্রকাশ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বসে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আইনি বিধান অনুযায়ী এক্ষেত্রে পুনরায় নির্বাচন হয়। অবশ্য এক্ষেত্রে আইনে ভোটগ্রহণের আগে মৃত্যুর কথা বলা আছে।
