বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলেছেন। বিচার বিভাগ নাকি স্বাধীনভাবে কাজ করছে, সরকারের নাকি কোনো হস্তক্ষেপ নেই। শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি আর পাচারের সঙ্গে জড়িত এমপি পাপুলের স্ত্রী ও কন্যা জামিন পেয়েছেন। অথচ মিথ্যা অভিযোগে এদেশের চারবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হয় না। এই দেশে এখন হত্যাকাণ্ডের আসামিদের জামিন হয়, ক্যাসিনোকাণ্ডের হোতাদের জামিন হয়, টাকা পাচারকারী হোতাদের জামিন হয়, অথচ জামিন হয় না গণতন্ত্রকামী নেতাকর্মীদের। জামিন পান না খালেদা জিয়া।’
তিনি বলেন, আইনের শাসন এখন আওয়ামী শাসনে পরিণত হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নয়, আওয়ামী বিচারপতিরা বিরোধী দল নির্মূল করতে বেপরোয়া স্বাধীনতা ভোগ করছেন। গতকাল সোমবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ‘মনোপীড়ায় ভুগছেন’ বলে মন্তব্য করে রিজভী আহমেদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়েছিল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। বিএনপি তখন সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত করতে এবং গণতন্ত্রকে সংকটে ফেলতে চেয়েছিল। দেশের বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। উচ্চ ও নিম্ন আদালতে সরকারের কোনো হস্তক্ষপ নেই।’
রিজভী বলেন, দেশব্যাপী ২৪টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনগুলোও আগের অবস্থার মতোই রক্তপাত ও ডাকাতির নির্বাচন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, যুগ্ম-মহাসচিব মজিবুর রহমান সারোয়ার, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
