চীনের কোম্পানিগুলোকে রক্ষার জন্য গওয়াদার বন্দরের ২৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করছে পাকিস্তান সরকার। চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) 'মুকুট মণি' হিসেবে এই স্থানকে আখ্যায়িত করেছে পাকিস্তান।
ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক এফ এম শাকিল তার একটি আর্টিকেলে লেখেন , পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, মাক্রান প্রশাসন, গোয়াদার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গোয়াদার বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেলুচিস্তান সরকার 'গওয়াদার বন্দর স্মার্ট পোর্ট সিটি মাস্টার প্ল্যানের' আওতায় কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গোয়াদার বন্দরের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে প্রায় ১৫ হাজার একর জমিতে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করা হবে। বন্দরটিতে মাত্র তিনিটি প্রবেশ পথ থাকবে এবং প্রত্যেকটি আইন
শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির আওতায় থাকবে ।
পাকিস্তান সরকারের সূত্র জানায়, গোয়াদার শহরে ৫০০টির বেশি ক্যামেরা বসানো হবে যাতে সন্দেহভাজনদের নজরাদারিতে আনা যায়।
সংবাদমাধ্যম এশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয় যে, এই শহরটির ভেতর যখন পরিস্থিতি বুঝে যখন তখন কারফিউ জারি করার পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান সরকার। আর এতে বিপাকে পড়বে বেলুচিস্তানের জনগণ যারা গোয়দার বন্দরের আশেপাশে বসবাস করে।
বেলুচিস্তানের জনগণ চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (সিপিইসি) বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি সময়ে বেলুচিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হুমকিতে চীনের কোম্পানিগুলো বিপাকে পড়েছে। আর এ জন্যই আলাদা একটি শহর গড়ে তুলে চীনের কোম্পানিগুলোকে রক্ষা করতে চাইছে পাকিস্তান।
এ বিষয়ে পাকিস্তান পিপলস পার্টির সিনেটর মিয়া রাজা রাব্বানি বলেন, এই বেড়ে দেওয়ার ফলে ফেডারেল সরকার বন্দর শহরকে দুই ভাগে বিভকক্ত করে ফেলছে। এর ফলে সেখানে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
ইত্তেফাক/এআর
