৯ জন বিশেষজ্ঞসহ ১৫ চিকিত্সকের পদ শূন্য

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৫২

পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা

পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকসহ জনবলের সংকট রয়েছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমা আক্তার জানান, ক্যাডার, স্থায়ী রাজস্ব, অস্থায়ী রাজস্ব ও উন্নয়ন খাতে মোট ১৮২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্থলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে বর্তমানে ১৩৬ জন কর্মরত রয়েছেন। ৯ জন বিশেষজ্ঞ নিয়ে ১৫ জন চিকিত্সকসহ পদ শূন্য রয়েছে ৪৫ জনের।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন চিকিত্সকের বিপরীতে বর্তমানে রয়েছেন ১৫ জন চিকিত্সক। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক রয়েছেন গাইনি ও অর্থো সার্জারিতে। শিশু, মেডিসিন, চক্ষু, সার্জারি, অ্যানেসথেসিয়া, কার্ডিও, ইএনটি, যৌন ও চর্ম এবং ডেন্টালে নেই কোনো বিশেষঞ্চ চিকিত্সক।

জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ রোগী আউটডোরে চিকিত্সা নিতে আসে। করোনা ভাইরাসের আগে আরো বেশি রোগী হতো আউটডোরে। বর্তমানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া চিকিত্সক না থাকায় অপারেশন বন্ধ আছে। পুঠিয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে ২৪ কিলোমিটার মহাসড়ক রয়েছে। প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনায় রোগী আসে চিকিত্সা নিতে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক না থাকায় দুর্ঘটনার রোগী রেফার করতে হয় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পার্শ্ববর্তী বাঘা, চারঘাট, দুর্গাপুর উপজেলা সীমান্ত এলাকা থেকে রোগী আসে চিকিত্সা নিতে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, রাজশাহী-৫-এর সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা. মো. মনসুর রহমান মুঠোফোনে জানান, পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সকসহ শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।