বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দ বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:০৮

ঢাবিতে বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা শুরু

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু বক্তৃতামালা’ শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান  সোমবার উপাচার্য অফিস-সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এই বক্তৃতামালার উদ্বোধন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ এবং ‘উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র’ যৌথভাবে এই বক্তৃতামালার আয়োজন করে।

উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্রের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং রিসার্চ ফেলো হাসান নিটোলের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টির পরিচালক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম স্বাগত বক্তব্য রাখেন।  মূল বক্তব্য রাখেন—বঙ্গবন্ধু জন্মশতবর্ষ জাতীয় উদ্যাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উচ্চতর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি স্থাপন করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি এই ইনস্টিটিউটের সার্বিক উন্নয়নে ইউজিসির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।  উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য তিনি ইনস্টিটিউটের সঙ্গে জড়িত শিক্ষক ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

মূল বক্তব্যে ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালির ইতিহাসে প্রথম সার্বভৌম বাঙালি। তিনি আমাদের স্বাধীন, সার্বভৌম ও অসাম্প্রদায়িক জাতিরাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন।  সভাপতির বক্তব্যে আতিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, শিক্ষাদর্শন, অর্থনীতি দর্শনসহ সব দর্শন নিয়ে বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন। এ ছাড়া তার ৭ই মার্চের ভাষণের প্রতিটি শব্দকে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।