নেপালে পার্লামেন্টে ভেঙে দেওয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:৫১

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার বিরুদ্ধে রাজধানীতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীকে তার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে নেপালে চীনের প্রতিনিধি দল সংকট নিরসনের জন্য আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। খবর কাঠমান্ডু পোস্টের

গত ২০ ডিসেম্বর পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারির কাছে অনুরোধ জানান। এরপর প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগান নির্বাচনের তারিখও ঘোষণা করেন। নেপালের সংবিধানে মন্ত্রিসভার সুপারিশের ভিত্তিতে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি না থাকায় ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে এক ডজনের উপরে পিটিশন ফাইল হয়েছে। জানুয়ারিতে ওইসব পিটিশনের শুনানি চলবে।

২০২২ সালে নেপালের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। গতকাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা  বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওলির সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক। করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে জনসমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকলেও বিক্ষোভকারীরা গতকাল তা উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেছেন। পুলিশ জানায়, বিক্ষোভে অন্তত ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। ওলি পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ সমাবেশ। বিক্ষোভে মূলত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির নেতা প্রচ্ল ও মাধব কুমার নেপালের সমর্থকরা অংশ নেন। নেপালে চীনা প্রতিনিধি দল গতকাল নেপালি কংগ্রেস পার্টির প্রেসিডেন্ট শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছে। এর আগে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিনিধি দল।