টঙ্গীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্য

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ২২:১১

টঙ্গীতে করোনাকালীন থেকে এখন পর্যন্ত বন্ধ হয়নি কোচিং বাণিজ্য। সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে প্রতিদিন চলছে কোচিং সেন্টারগুলো। সরেজমিনে দেখা যায়, টঙ্গীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের আশপাশ জুড়ে এমন একাধিক কোচিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে শুরু করে স্থানীয় নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব কোচিং সেন্টারে পাঠদানে ব্যস্ত থাকেন। টঙ্গী কলেজ রোডে এমনই একটি কোচিং সেন্টার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে গোপনে কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে আসছে।

 এ বিষয়ে কোচিং সেন্টারের পরিচালনা কমিটির সদস্য জুবায়ের হোসেন জানান, ‘আমাদের কোচিং সেন্টারের পাঁচটি কক্ষে প্রতিদিন একাধিক শিফটে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কোচিং চলে। প্রতি ব্যাচে ২০ থেকে ২৫ জন করে শিক্ষার্থী থাকে। প্রতিমাসে তাদের কাছ থেকে বেতন বাবদ ১ হাজার ২০০ টাকা করে নেওয়া হয়।  কোচিং সেন্টারটি  ইমরান, শাহিন, অনিক ও আমি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনা করে আসছি। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের কাছে আসে। তাই আমরা কোচিং পরিচালনা করছি। আমাদের কোচিং করানোর কোনো ধরনের বৈধতা নেই। কিন্তু শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে, তাই আমরা কোচিং সেন্টার চালু রেখেছি। আশপাশে এমন অনেক কোচিং সেন্টার রয়েছে।’ এ বিষয়ে সাকসেস এডমিশন কেয়ার কোচিং সেন্টারের পরিচালক ইমরান জানান, ‘আমাদের কোচিং সেন্টারটি টঙ্গী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের এক বড় ভাই দেখাশোনা করেন। কোচিংয়ের ব্যাপারে কোনো কথা বলতে পারব না। এ ব্যাপারে টঙ্গী থানা শিক্ষা অফিসার শিখা বিশ্বাস জানান, ‘এ সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। আমরা খোঁজ  নিয়ে দেখব কারা কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন।’