বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ হয়নি :টিআইবি

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:৩৩

বন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারিত না হওয়া এবং এসব ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি বিদ্যমান। বন অধিদপ্তরের সব স্তরের কার্যালয়ের কর্মকাণ্ডে কার্যকর তদারকি, পরিবীক্ষণ, জবাবদিহিতা ও ‘ফরেস্ট্রি পারফরম্যান্স অডিট’-এর অনুপস্থিতিতে বন অধিদপ্তরকেন্দ্রিক দুর্নীতি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গতকাল বুধবার ‘বন অধিদপ্তর :সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনটি।

গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে যে, বন আইন ১৯২৭ প্রায় ৯৩ বছরের পুরোনো হওয়ায় এই আইনে বনের সংজ্ঞা, বনের ধরন, বন সংরক্ষণ প্রক্রিয়া ও উন্নয়ন কাজে বনের জমি ব্যবহার ও বরাদ্দ প্রদান বিষয়ে আইনে কিছু উল্লেখ নেই এবং এ সংক্রান্ত বিধিমালাও অনুপস্থিত। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২-তে সংকটাপন্ন ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীর প্রতিবেশ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ও তা সুরক্ষায় কী করা হবে তা আইনে উল্লেখ নেই এবং এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করার কোনো বিধানও রাখা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান এবং গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক জাকির হোসেন খান প্রমুখ।