চীন-ইইউ’র মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:৪৭

চীনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে। এর প্রভাব আমেরিকার ওপর পড়বে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এরই মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে। খবর ডয়চেভেলের

সাত বছর ধরে আলোচনা হলেও এতদিন পর্যন্ত দুই পক্ষ মতানৈক্যে আসতে পারেনি। মঙ্গলবার অবশেষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চীন সমঝোতায় পৌঁছেছে। দুই পক্ষের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তির খসড়া তৈরি হয়েছে। সব ঠিক থাকলে স্থানীয় সময় বুধবার তাতে সই করার কথা দুই পক্ষের। এই চুক্তির ফলে ইউরোপে চীন যেমন একাধিক ক্ষেত্রে বাণিজ্য বাড়াতে পারবে, তেমন চীনেও ইউরোপের বিভিন্ন কোম্পানি বাজার তৈরির সুযোগ পাবে। তবে চীন শেষ পর্যন্ত কতটা ছাড় দেবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ।

গোটা বিশ্বের মতো ইউরোপেও চীনের একাধিক সংস্থা ব্যবসা করে। ইউরোপে চীনের বাজারও যথেষ্ট। কিন্তু এখনো পর্যন্ত চীনের বাজার উন্মুক্ত নয়। বিদেশি সংস্থাকে সেই অর্থে চীনে বাণিজ্য করতে দেওয়া হয় না। এই নিয়েই প্রায় সাত বছর ধরে চীনের সঙ্গে আলোচনা চলছিল ইইউর। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বক্তব্য ছিল, ইউরোপে চীনকে বাণিজ্য চালিয়ে যেতে হলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশকেও চীনে ব্যবসার সুযোগ করে দিতে হবে। প্রাথমিকভাবে চীন এই প্রস্তাবে সহমত ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে চীনের বাজার খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দেশের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। রিয়েল এস্টেট, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং ফিন্যানশিয়াল সার্ভিসে ইউরোপ চীনের কাছে সমান অধিকার চেয়েছে। অর্থাত্, চীনের সংস্থা যে সুবিধা পায়, ইউরোপের সংস্থাকেও সেই সুযোগ করে দিতে হবে। অন্যদিকে চীনও এনার্জিসহ একাধিক বিষয়ে ইউরোপের কাছে বিশেষ সুবিধা চেয়েছে। অর্থনীতিবিদদের একাংশের বক্তব্য শেষ পর্যন্ত এই চুক্তিতে লাভবান হবে চীন। কারণ, ইউরোপে আরো বেশি বাণিজ্যের সুযোগ পাবে তারা। ইউরোপের ক্ষেত্রে চীন বাজার পুরোপুরি খুলবে না।