রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পরাজিত মেয়র প্রার্থী ও সদ্য সাবেক মেয়র উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, স্থানীয় সাংবাদিক এএইচএম শাহনেওয়াজ ও আরিফ শাহাদাতের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এজাহার দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান নিজে বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় এজাহার দাখিল করেন।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) খালেদুর রহমান সংসদ সদস্যের এজাহার দাখিলের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, থানার ডিউটি অফিসার সংসদ সদস্যের এজাহারটি রিসিভ করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এজাহারে বর্ণিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আরো পড়ুন: ‘আগামী বছর বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে’
সংসদ সদস্যের এজাহারে বলা হয়েছে, ‘গত ২৯ ডিসেম্বর সারাক্ষণডটকম, সাহেববাজারডটকম ও রাজটাইমে তাকে (ডা. মনসুর রহমান) হেয় করতে পুঠিয়া পৌরসভার সদ্য সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত মেয়র প্রার্থী রবিউল ইসলামের বরাত দিয়ে মিথ্যা তথ্যে ভরা সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। ওই সংবাদে রবিউল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেছেন-নির্বাচনে সহযোগিতা করার নামে সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান তার কাছে ৩০ লাখ টাকা দাবি করেছিলেন। রবি টাকা দিতে না চাওয়ায় ডা. মনসুর রহমান তার নিকটাত্মীয় গোলাম আজম নয়নকে স্বতন্ত্র মেয়র পদে প্রার্থী করেন।’ সংবাদে রবিকে উদ্ধৃত করে আরো বলা হয়, ‘ডা. মনসুর রহমান বিএনপির মেয়র প্রার্থী মামুনের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে তাকে সহযোগিতা করেছেন। যার প্রমাণ তার (রবি) কাছে রয়েছে।’ এমন মিথ্যা সংবাদ সরবরাহ করে সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমানকে হেয় প্রতিপন্ন করাসহ মানহানি করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ অনুযায়ী সাবেক মেয়র রবিউল ইসলাম রবি, সাংবাদিক শাহনেয়াজ ও আরিফ শাহাদাত অপরাধ করেছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সংসদ সদস্যের ফোন তার ভায়রা ভাই পরিচয়ে জনৈক আব্দুল্লাহ রিসিভ করেন এবং এমপি ডা. মনসুর রহমান ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানান।
ইত্তেফাক/এএএম
