ডাগআউটে থাকা নিয়ে ক্লাবগুলোর চিঠি

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২১, ২১:৫৫

ফেডারেশন কাপ ফুটবল চলছে। ১৩ জানুয়ারি প্রিমিয়ার লিগ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরই মধ্যে আলোচনা উঠেছে যারা ফেডারেশনের সদস্য তারা বিভিন্ন নামে ক্লাবে জড়িত। খেলার চলাকালীন মাঠে থাকছে। ডাগআউটে থাকছেন। আর তাতে রেফারি প্রভাবিত হচ্ছেন। ম্যাচের ফলাফলও অনেক সময় ঘুরে যায়। কিংবা অনেক সময় ডাগআউটে বাফুফের সদস্যের উপস্থিতি দেখে রেফারি সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে বাঁশি বাজাতে পারছেন না। এই নিয়ে আপত্তি বেশির ভাগ ক্লাবগুলোর। তবে কয়েকটি ক্লাব এ ব্যাপারে বাফুফেকে চিঠি দিয়েছে। বাফুফের সদস্য হলে তাকে মাঠে না রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। জানা গেছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র, মুক্তিযোদ্ধা এবং বসুন্ধরা কিংস চিঠি দিয়েছে বাফুফেকে।

চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যানেজার শাকিল মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘সিদ্ধান্ত ছিল যারা বাফুফের সদস্য তারা মাঠের ডাগআউটে দাঁড়াতে পারবে না। সেটি কার্যকর হয়নি। বারবার পিছিয়েছে।’ তিনি বলেন আমরা চিঠি রেডি করেছি। সাইফ স্পোর্টিংও চিঠি পাঠাবে। শেখ রাসেল, বসুন্ধরা কিংস, মুক্তিযোদ্ধা চিঠি দিয়েছে।’ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান বললেন, ‘আমরা চিঠি দিয়েছে।’ তিনি মনে করেন বড় বাজেট খরচ করে ভালো করার কারণ হচ্ছে দেশের ফুটবল দর্শক যেন ফুটবলের প্রতি আগ্রহী হয়। খেলা দেখতে আসে। রেফারির একটা সিদ্ধান্ত যদি এলোমেলো করে দেয়, তাহলে ক্ষতিটা আর পূরণ করা যাবে না।

ফেডারেশন কাপ ফুটবলেই রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। গ্রুপ পর্বে মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে আবাহনীর ম্যাচে সহকারী রেফারির সংকেত দেখে রেফারি জালাল উদ্দিন ফ্রিকিকের বাঁশি বাজান। মুক্তিযোদ্ধার গোলকিপার নুরুল করিম বলছেন তিনি বক্সের ভেতরে বল ধরেছেন। ভেতরে থেকেই বল পাস দেন। রেফারি সিদ্ধান্ত দিচ্ছে গোলকিপার বক্সের বাইরে এসে বল ধরেছেন। এই অভিযোগে ফ্রিকিক দেন জালাল উদ্দিন। গোলশূন্য সেই ম্যাচে ফ্রিকিক থেকেই গোল করেন মাসিহ সাইঘানি। আবাহনী ২-১ গোলে জয় পায়। ঐ ফ্রিকিকটি রেফারি না দিলে ম্যাচের ফল ড্রও হতে মনে করছে মুক্তিযোদ্ধার ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘রেফারিজ কমিটির অনেক কর্মকর্তাই আমাদেরকে ‘সরি’ বলেছেন। কয়েকটি ক্লাব বাফুফের সদস্যদের ডাগআউটে দাঁড়ানোর অনুমোদন না দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি।’