ভারতে জরুরি ক্ষেত্রে অক্সফোর্ডের টিকায় ছাড়পত্র

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৪৯

ভারতে জরুরি ব্যবহারের জন্য অক্সফোর্ডের করোনা ভাইরাসের টিকার ছাড়পত্র দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে ফাইজারের টিকায় অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। খবর বিবিসি ও আনন্দবাজার পত্রিকার

ভারতে পরীক্ষামূলকভাবে করোনার টিকা প্রয়োগ আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। এবার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে। এর পর ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অনুমোদন দিলেই টিকা দেওয়া শুরু হবে। অক্সফোর্ডের করোনা টিকা ভারতে তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অ্যাস্ট্রাজেনেকো ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় তৈরি কোভিশিল্ড ভারতে তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট।

ভারত বায়োটেক আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করছে               কোভ্যাক্সিন। বুধবার বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সামনে দুই টিকা নির্মাতা সংস্থাই তাদের প্রেজেন্টেশন দেয়। ফাইজারের পক্ষ থেকে আরো সময় চাওয়া হয়। একবার ভারতে ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে ছাড়পত্র পেলে পরের মাস থেকেই দেশে করোনা টিকা দেওয়ার কাজ শুরু করতে আগ্রহী ভারত সরকার। যদিও এখনো সরকার ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে নতুন করে টিকা কেনার কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি, তবু সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের বাজারকেই তারা প্রথমে গুরুত্ব দেবে। সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, সংস্থা ইতিমধ্যে ৫ কোটি করোনা টিকার ডোজ তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যে ১০ কোটি ডোজ তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে সংস্থার। এই টিকার দাম অনেকটাই কম হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ অন্য অনেক টিকার মতো এটিকে সংরক্ষণ করতে খুব বেশি পরিকাঠামোর প্রয়োজন হয় না। সেই কারণে টিকার খরচ ভারতীয় মুদ্রায় ১ হাজার টাকারও কম হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার ও নির্মাতা সংস্থার সূত্রে এ রকমই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

ফাইজার টিকার অনুমোদন দিল ডব্লিউএইচও

আমেরিকা ও ব্রিটেনে ইতিমধ্যেই ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু হয়ে গেছে। আরো বেশ কয়েকটি দেশ এই ভ্যাকসিনের ব্যবহারে ছাড়পত্র দিয়েছে। এবার সরকারিভাবে ফাইজারের করোনা টিকা ব্যবহারে ছাড়পত্র দিয়ে দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও)। বৃহস্পতিবার ফাইজার-বায়োএনটেকের সম্ভাব্য কোভিড প্রতিষেধকের জরুরি ব্যবহারে ছাড়পত্র দিয়েছে সংস্থাটি। ফাইজারই প্রথম সংস্থা হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে করোনার টিকার ছাড়পত্র আদায় করল।