মাহাফুজা আক্তার। পেশায় একজন শিক্ষক। ঘুমই যেন ভাঙ্গে তার বাজারের চিন্তায়। আর সেই চিন্তাকে মুহূর্তেই দূর করে দিচ্ছে ফুডপ্যান্ডার মোবাইল অ্যাপ ‘প্যান্ডামার্ট’। মাত্র ৩০ মিনিটেই নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্য গ্রাহকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে ‘প্যান্ডামার্ট’।
এদিকে করোনা আতঙ্কে বাজারে না গিয়ে অনলাইনে বাজার করার কথাই ভাবছেন নগরবাসী। সেই সাথে বেড়েছে অনলাইনে পণ্য কেনাকাটাও। মাহাফুজার মতো অনেকেই এখন ঘরে বসেই প্যান্ডমার্টে খুব সহজেই বাজার-সদাই সেরে ফেলছেন। নিত্যপণ্যের কেনাকাটা সহজ করা এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে তা গ্রাহকের দোরগোড়ায় পণ্য পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ফুডপ্যান্ডা চালু করেছে ‘প্যান্ডামার্ট’। রাজধানীর গুলশান, ধানমণ্ডি, মিরপুর, উত্তরা, বসুন্ধরা, মগবাজার, খুলনা, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, সাভার, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে প্যান্ডামার্ট তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া ২৫টি বিভাগে তাদের প্রায় চার হাজার পণ্য সরবরাহ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, প্ল্যাটফর্মটি অন্যান্য প্রচলিত গ্রোসারি সার্ভিসের মতো বাহির থেকে পণ্য কিনে গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করে না। প্যান্ডামার্ট পুরো সাপ্লাই চেইন নিজেই নিয়ন্ত্রণ করে। যেকোনো পণ্য অর্ডার করলে ১০ টাকা সার্ভিস চার্জ নিয়ে মাত্র ২৫-৩০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে প্যান্ডামার্ট। রাজধানীর ১২টি স্থানে পান্ডামার্টের নিজস্ব ডার্ক স্টোর থেকে প্রায় তিন হাজারের বেশি পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। থাকছে ইউনিলিভার, নেসলে, রেকিট বেনকিজারের মতো বড় বহুজাতিক এবং স্বনামধন্য স্থানীয় কোম্পানির আসল পণ্যের সম্ভার।
প্যান্ডামার্ট প্রসঙ্গে ফুডপ্যান্ডার সিইও আম্বারিন রেজা বলেন, ‘যথাসময়ে ডেলিভারি প্রদান সক্ষমতা গ্রাহকের সঙ্গে মজবুত বন্ধন তৈরি করে, ডেলিভারি সেবার নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায় এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জন করা যায়। গ্রাহক তার কাঙ্খিত সময়েই ডেলিভারি প্রত্যাশা করেন। আর তাই গ্রাহকের মধ্যে এমন প্রত্যাশা জাগানো উচিত হবে যা পূরণ করা সম্ভব। প্যান্ডামার্টের মাধ্যমে আমরা ঠিক তাই করতে যাচ্ছি।’
