ডা. রুপম হত্যা মামলা

অবশেষে কারাগারে মির্জাপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মিল্টন

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০২১, ২২:৫১

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডা. মো. মনিরুল হুদা রুপম (৪৬) হত্যা মামলার আসামি ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আতিকুর রহমান মিল্টনকে (৪৭) অবশেষে আট বছর পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর মো. আতিকুর রহমান মিল্টন এখন কারাগারে রয়েছেন।

গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল আতিকুর রহমান মিল্টনের গাজীপুরে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখ। ২৭ ডিসেম্বর মো. আতিকুর রহমান মিল্টন গাজীপুর জেলার সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইলিয়াস রহমানের আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে কোর্ট পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে গাজীপুর জেলা জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

মির্জাপুর থানা পুলিশ গতকাল শনিবার জানান, আতিকুর রহমান ১৩ নম্বর বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তার বড় ভাই মো. আজাহারুল ইসলাম আজাহার ১৩ নম্বর বাঁশতৈল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্র জানায়, মির্জাপুর উপজেলা সদরের কুমুদিনী হাসপাতাল রোডের বাইমহাটি এলাকায় যমুনা জেনারেল হাসপাতাল (প্রাইভেট) অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিত্সক ছিলেন ডা. মো. মনিরুল হুদা রুপম। ২০১২ সালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে প্রাইভেট কারযোগে গাজীপুরের বাসায় ফেরার পথে খুন হন ডা. রুপম। ঘটনার দুই দিন পর ঢাকা-ময়মনসিংহ-গাজীপুর মহাসড়কের জয়দেবপুর থানার ভোগড়া বাইপাস এলাকায় তার ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার থেকে পুলিশ ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় তার পরিবার গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১০ জনের সন্ধান পায় এবং কয়েক জনকে গ্রেফতার করে। থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডি অধিক তদন্তের পর প্রিন্স হক, সুজন মিয়া, আনিছুর রহমান, মো. শিপন মিয়া ও ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মিল্টনকে আসামি করে ২০১৬ সালে চার্জশিট দাখিল করেন। হত্যা মামলায় কয়েক জন জেলহাজতে থাকলেও চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আতিকুর রহমান মিল্টন হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন।