আনন্দ পট

সিলিকন ভ্যালি

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২১, ১৯:৪৩

সিলিকন ভ্যালি শুনলে মনে হয় সাইন্স ফিকশনের কোনো কাল্পনিক শহর। তবে কল্পনা নয়, সত্যিকার অর্থেই সিলকন ভ্যালি প্রযুক্তির শহর, হাই টেক দুনিয়ার স্বর্গভূমি। উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকো এবং স্যান হোসে এই দুই শহরের মাঝামাঝি ৩০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সিলিকন ভ্যালির পথ চলা শুরু হয় ১৮০০ শতকের শেষের দিকে সানফ্রান্সিসকো পোর্ট টেলিগ্রাফ ও রেডিও ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। ১৯৩৯ সালে আমেস রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবাসভূমি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়।   ১৯৭১ সালে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সাংবাদিক ডন হফলার তিন পর্বের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি ইউএসএ’। পরবর্তী সময়ে এই নামেই পরিচিত হয় বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির স্বর্গ হিসেবে। ১৯৯৫ সালের পর সিলিকন ভ্যালি হয়ে ওঠে ইন্টারনেট অর্থনীতি এবং উচ্চ প্রযুক্তি সংক্রান্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র। সিলিকন ভ্যালির কুপারটিনোতে রয়েছে অ্যাপলের স্পেসশিপ হেড কোয়ার্টার, মেনলো পার্কে ফেসবুক কমপ্লেক্স, মাউন্টেন ভিউতে রয়েছে গুগলের গুগলপ্লেক্স, কম্পিউটার হিস্টোরি মিউজিয়াম এবং নাসার এমস রিসার্চ সেন্টার। সানফ্রান্সিসকোর উপকূলবর্তী এলাকায় রয়েছে টুইটার, উবার, লিফটসহ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সব প্রযুক্তি কোম্পানির অফিস। বর্তমানে এটি তথ্য ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্লোবাল সেন্টারে পরিণত হয়েছে।