ছেলেধরা সন্দেহে রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় স্কুলের বাইরে তাসলিমা বেগম রেনু হত্যা মামলার পলাতক আসামি মহিন উদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামনুর রশীদ এ আদেশ দেন।
গত ২ ডিসেম্বর মহিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে একই আদালত। পরোয়ানা তামিলের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ জানুয়ারি দিন ধার্য ছিল। তবে পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে না পারায় আদালত গতকাল তার সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিল। ক্রোকের আদেশ তামিল বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক আব্দুল হক ঢাকার সিএমএম আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
আসামিরা হলেন ইব্রাহিম ওরফে হূদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু ও মহিন উদ্দিন। আসামিদের মধ্যে ওয়াসিম, হূদয় এবং রিয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
আসামি মহিন উদ্দিন পলাতক। আর রিয়া বেগম, বাচ্চু মিয়া, শাহীন, মুরাদ ও বাপ্পি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
অন্যদিকে আলিফ, মারুফ, সুমন ও আকলিমা এ চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ না পাওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা তাদের অব্যাহতির আবেদন করায় আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয়। গত বছরের ২০ জুলাই সকালে ছেলেধরা সন্দেহে উত্তর বাড্ডা সরকা?রি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তাসলিমা বেগম রেনুকে বেধড়ক পেটানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ঐদিন বাড্ডা থানায় অজ্ঞাতনামা ৪০০/৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহত রেনুর ভাগেন নাসির উদ্দিন।
