সুনামগঞ্জে চলন্ত বাসে এক নারীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তাকে ‘হত্যা করতে’ রাস্তায় ফেলে দেন চালক শহীদ মিয়া। গুরুতর আহত ঐ নারীকে পথচারীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। ঐ ধর্ষণচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি বাসচালক শহীদকে গ্রেফতারের পর গতকাল রাজধানীর সিআইডি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক হাসিব আজিজ। সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তা ধরের নেতৃত্বে একটি দল শনিবার সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে শহীদ মিয়াকে গ্রেফতার করে। শহীদ সিলেটের মোল্লারগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
হাসিব আজিজ বলেন, গ্রেফতারকৃত বাসচালক শহীদ মিয়াকে ভুক্তভোগীর কাছে নেওয়া হলে তিনি প্রধান আসামিকে শনাক্ত করেন। সে সময় তরুণী জানান, শহীদ মিয়াই প্রথম ধর্ষণচেষ্টা শুরু করে।
সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, এর আগে বাসচালকের সহকারী রশীদকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। রশীদ আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তার দোষ স্বীকার করেন। তিনি বলেন, বাসচালক প্রাথমিকভাবে যে তথ্য দিয়েছে, তার সঙ্গে রশীদের জবানবন্দির মিল রয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীর দেওয়া তথ্যও এক।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ডিসেম্বর বিকালে ঐ তরুণীর দুলাভাই সিলেট থেকে সুনামগঞ্জগামী বাসটিতে তুলে দেন তাকে। কিন্তু যাত্রীরা সব নেমে যাওয়ার পর বাসচালক স্টিয়ারিং হেলপারের কাছে দিয়ে ঐ তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা করে। ঐ দিন সুনামগঞ্জের দিরাই থানায় একটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা হয়।
