ফেসবুকে পরিচয়ের পর বিয়ে

মিথ্যা মামলায় ছেলেসহ পরিবারের পাঁচ জন জেলে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:১৪

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, তারপর প্রেম। কিন্তু মেয়ের অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে পেরে বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান জাহিদুল ইসলাম। একপর্যায়ে কৌশলে ছেলেকে ডেকে নিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেয় মিমের পরিবার। তাতে রাজি না হওয়ায় পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। একপর্যায়ে ছেলে বিয়েতে রাজিও হয়। কাবিন ধরা হয় ১০ লাখ টাকা। পরিশোধও করে জাহিদুল। বিয়ের পর মিমের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়। আবারও টাকার জন্য জাহিদুলের ওপর মিমের পরিবারের চাপ অব্যাহত থাকে।

গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলন করে জাহিদুলের বোন জোত্স্না বেগম বলেন, বিয়ের সময় তো কাবিনের ১০ লাখ টাকা শোধ করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে জাহিদুলকে ডেকে নেয় মিমের পরিবার। সেখানে আরো ১০ লাখ টাকার জন্য চাপ দেয়। সে রাজি না হওয়ায় আবারও পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জাহিদুল সুস্থ্য হয়ে মিমকে তালাক দেয়। এরপরই মিমের বাবা মাহবুবুর রহমান আমাদের পরিবারের সবার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে। এর মধ্যে লালবাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলায় জাহিদুলসহ পরিবারের পাঁচ জন এখন কারাগারে। এখন এসব মামলা প্রত্যাহারের জন্য উলটো বিপুল পরিমাণ টাকা চাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি, তাদের সঙ্গে যেন ন্যায়বিচায় করা হয়। পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।