রায়পুরে হঠাত্ বেড়ে গেছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। নতুন বছরের শুরুতেই ২ জানুয়ারি রাত থেকে ক্রেতাদের কাছ থেকে ছোট সিলিন্ডারপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হোটেলে ব্যবহূত বড় বোতলের দাম ৫০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সরবরাহকারীরা বলছেন, শীতকালে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের চাহিদা বেশি থাকায় অধিক মূল্যে কিনতে হচ্ছে। আর এ কারণেই হঠাত্ করে এ মূল্যবৃদ্ধি। একাধিক সরবরাহকারী, পরিবেশক ও ক্রেতা সূত্রে জানা গেছে, গেল ডিসেম্বর পর্যন্ত বাসাবাড়িতে ব্যবহূত সাড়ে ১২ কেজি ওজনের গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য ছিল ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা। ২ জানুয়ারি রাত থেকে এটি বিক্রি করছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায়। হোটেলে বা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহূত ৩৫ কেজির গ্যাস ২ হাজার ৬০০ টাকার স্থলে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায় এবং ৩ হাজার ২৫০ টাকা মূল্যের ৪৫ কেজি ওজনের গ্যাস এখন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৭০০ টাকায়।
শহরের বেসরকারি সংস্থার ব্র্যাক কর্মী বিউটি আক্তার বলেন, এখন হঠাত্ বেড়ে যাওয়া গ্যাসের দাম মেটাতে হলে সংসারের অন্য সব খরচ কমিয়ে আনতে হবে। রায়পুর স্টেশন মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন বলেন, বাড়তি দামে গ্যাস কিনে রান্না চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। রায়পুর উপজেলার যমুনা ও টোটাল গ্যাসের পরিবেশক বিল্লাল ট্রেডার্সের মালিক বিল্লাল হোসেন বলেন, শীতপ্রধান দেশগুলোতে কাঁচামালের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশের এলপি গ্যাসের মার্কেটেও প্রতিটি কোম্পানির গ্যাসের সিলিন্ডারে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে দাম বেড়েছে। এলপি গ্যাসের বাড়তি দামের সঙ্গে ডিলারদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরীন চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের কারণে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে থাকলে বাজার তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
